দ্বিতীয় বর্ষ : ফিজিওলজি, মাছানা বা মূত্রথলি (Urinary Bladder )
ফিজিওলজিঃ
দ্বিতীয় বর্ষ ঃ
মাছানা বা মূত্রথলি (Urinary Bladder )
মূত্রথলি (Urinary Bladder )কে ইউনানী চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় মাছানা বলে।
ব্লাডার বা মূত্রথলি মূত্র সঞ্চয়ের কাজ করে। এটি দেখতে পেয়ারার মত আকারের হয়।
(Pelvis) এর সিমফ্যাইসিস (Spmphysis) এর পিছনে থাকে। এই জন্য অন্য যন্ত্রগুলির সামনে থাকে।
এর নীচের অংশ আটকিয়ে থাকে এটি কে বলে ভিত্তি (Base)।
উপরের যে অংশটুকু উচুতে উঠে তাকে বলে ফাণ্ডাস (Fundus)।
এর এপেক্স (Apex) থাকে সামনে সিমুফ্যাইসিস (Symphysis)
এর ঠিক পিছনে।
পুরুষের ব্লাডারে ২২০ সি, সি পর্যন্ত প্রস্রাব জমা থাকতে পারে।
মেয়েদের ব্লাডারের পিছনে থাকে জরায়ু (Uterus) এবং যোনিপথ
(Vaginal Canal) । ব্লাডের উপরের দুইটি ছিদ্র ও নীচে ইউরেথ্রার
ছিদ্র। এর মাঝের অংশকে বলে ট্রাইগন অব ব্লাডার (Tirgone of
the Bladder) ।
ব্লাডারের গঠন ঃ— এতে চারটি আবরণ Layer) আছে।
১। বাহিরে সিরাম (Seram) কোট – এটি ফাইব্রাস (Fibrous)
টিসু।
২। মাংসপেশীর কোট– এটিতে তিনটি স্তরে মাসল ফাইবার
(Muscle Fiber) গুলি সাজানো থাকে।
৩ । সাব মিউকাস কোট ;
৪। ভিতরের আবরণ— ইহা ট্রানজিশনাল ইপিথেলিয়াম
(Transitional Epithelium) দ্বারা তৈয়ার করা হয়।
ট্রাইগোন ঃ— এই অংশটি মূত্রথলির ভিতরের পেছন দিকে
অবস্থিত। দুইদিকে দুইটি ইউরেটার (Ureter) এর ছিদ্র ও নিচে
ইউরেথ্রাল (Urthral) ছিদ্র— এই তিনটি রেখা দ্বারা যুক্ত করলে তা হল ট্রাইগোন৷ এই অংশে মসৃণ ঝিল্লি মাংসপেশীর ভিতরের দিকে
আটকিয়ে থাকে ।
মোঃ মহিউদ্দিন
প্রভাষক, ভোলা ইসলামিয়া ইউনানী মেডিকেল কলেজ।

No comments